ভ্রমণের স্মৃতি, রান্নার দৃশ্য, শিক্ষামূলক আলোচনা কিংবা ছোট কোনো গল্প সঠিক সংগীত একটি সাধারণ ভিডিওকে আকর্ষণীয় করে। তবে শুধু অডিও ফাইল বসালেই কাজ শেষ নয়। দৃশ্যের সঙ্গে তাল মেলানো ও কথার স্পষ্টতা বজায় রাখাও জরুরি।
বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড ফোন, আইফোন ও কম্পিউটারেই কয়েকটি সহজ ধাপে এই কাজ করা যায়। ক্যাপকাট, আইমুভি এবং ক্লিপচ্যাম্পের মতো সম্পাদনার সরঞ্জামে ভিডিওর সঙ্গে সংগীত বসানো, অপ্রয়োজনীয় অংশ কাটা ও শব্দের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের সুবিধা রয়েছে। এ জন্য জটিল সম্পাদনা শেখা জরুরি নয়।
এই নির্দেশিকায় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভিডিওতে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক যোগ করার বাস্তবসম্মত পদ্ধতি দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া গান নির্বাচন, কপিরাইট ও চূড়ান্ত যাচাইয়ের বিষয়গুলোও রয়েছে।
গান যোগ করার আগে যে প্রস্তুতি নেবেন
ভিডিও সম্পাদনা শুরু করার আগে মূল ভিডিও ও ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে এমন গানের ফাইল প্রস্তুত রাখুন। ভিডিওতে কথা থাকলে প্রথমে মূল শব্দ শুনে দেখুন। বাতাসের শব্দ বা আশপাশের অপ্রয়োজনীয় আওয়াজ থাকলে সম্পাদনার সরঞ্জাম দিয়ে যতটা সম্ভব কমিয়ে নিন। কোনো কথা স্পষ্ট বোঝা না গেলে প্রয়োজনে সেই অংশের বক্তব্য নতুন করে রেকর্ড করুন। এরপর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক যোগ করুন, যাতে গানের শব্দের কারণে মূল বক্তব্য অস্পষ্ট না হয়।
গান বাছাইয়ের সময় ভিডিওর উদ্দেশ্য বিবেচনা করুন। রান্নার দৃশ্যে হালকা সুর, ভ্রমণে প্রাণবন্ত সংগীত এবং নির্দেশনামূলক ভিডিওতে কম মনোযোগ কাড়ে এমন যন্ত্রসংগীত ভালো মানাতে পারে। তবে সংগীত যেন মূল তথ্যকে আড়াল না করে।
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ক্যাপকাট দিয়ে ভিডিওতে গান যোগ করার নিয়ম
মোবাইলে ধাপে ধাপে কাজ শিখতে চাইলে ক্যাপকাট একটি ব্যবহারযোগ্য বিকল্প। অডিও অংশ থেকে সংগীত বা ফোনের নিজস্ব ফাইল যোগ করা যায়। সংস্করণভেদে বোতামের অবস্থান বদলাতে পারে।
- ক্যাপকাট খুলে নিউ প্রজেক্ট নির্বাচন করুন এবং গ্যালারি থেকে ভিডিও যোগ করুন।
- নিচের সম্পাদনা অংশে অডিও অপশনে যান। সেখান থেকে অনুমতিপ্রাপ্ত সংগীত বা নিজের অডিও ফাইল বেছে নিন।
- গানটি ভিডিওর নিচে আলাদা অডিও লাইনে যুক্ত হলে টেনে সঠিক শুরুর স্থানে বসান।
- গানের অপ্রয়োজনীয় অংশ ছাঁটুন। প্রয়োজনে মাঝখানের অংশ ভাগ করে বাদ দিন।
- ভলিউম কমিয়ে মূল বক্তব্যের সঙ্গে ভারসাম্য আনুন এবং শুরু ও শেষে ধীরে শব্দ বাড়া-কমানোর প্রভাব দিন।
- সম্পূর্ণ ভিডিও চালিয়ে পরীক্ষা করে এক্সপোর্ট নির্বাচন করুন ও সংরক্ষণ করুন।
একটি বিশেষ কৌশল হলো, গানের তাল পরিবর্তনের জায়গায় দৃশ্য বদলানো। এতে ভিডিও গোছানো লাগে। তবে কথার ধারাবাহিকতাকে অগ্রাধিকার দিন।
আইফোনে আইমুভি দিয়ে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক যোগ করবেন যেভাবে
আইফোন ব্যবহারকারীরা আইমুভির মাধ্যমে ভিডিওর সঙ্গে গান যুক্ত করতে পারেন। এর সাউন্ডট্র্যাকস অংশ থেকে গান শুনে নির্বাচন করা যায়; নিজস্ব অডিও যোগ করার ব্যবস্থাও রয়েছে।
- আইমুভিতে নতুন চলচ্চিত্র প্রকল্প তৈরি করে পছন্দের ভিডিও যুক্ত করুন।
- মিডিয়া যোগ করার চিহ্নে চাপ দিয়ে অডিও এবং পরে সাউন্ডট্র্যাকস খুলুন।
- গান শুনে পছন্দ হলে যোগ করুন; প্রয়োজন থাকলে আগে সেটি নামাতে হতে পারে।
- অডিও লাইনে গান নির্বাচন করে দৈর্ঘ্য, অবস্থান ও শব্দের মাত্রা ঠিক করুন।
- ভিডিওটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখে উপযুক্ত মানে সংরক্ষণ করুন।
মনে রাখবেন, ফোনে কোনো জনপ্রিয় গান কেনা বা সংরক্ষণ করা মানেই সেটি প্রকাশ্য ভিডিওতে ব্যবহারের অনুমতি পাওয়া নয়। আইমুভিতে গানের ফাইল দেখা গেলেও সেটির প্রকাশের অধিকার আলাদাভাবে নিশ্চিত করুন। নিজস্ব বা বৈধ অনুমতিপ্রাপ্ত গান বেছে নিন।
কম্পিউটারে ক্লিপচ্যাম্প দিয়ে ভিডিওতে মিউজিক বসানোর পদ্ধতি
ক্লিপচ্যাম্পে ভিডিও আমদানির পর নিচের টাইমলাইনে বসাতে হয়। তারপর অডিও লাইব্রেরি বা নিজের ফাইল থেকে গান যোগ করুন।
- ক্লিপচ্যাম্পে প্রকল্প খুলে ভিডিও আমদানি করুন এবং টাইমলাইনে আনুন।
- অডিও লাইব্রেরি বা নিজের ফাইল থেকে গান এনে ভিডিওর নিচের লাইনে রাখুন।
- গানের শুরু ও শেষের প্রান্ত টেনে দৈর্ঘ্য ঠিক করুন। দরকার হলে মাঝখানে ভাগ করুন।
- অডিও সেটিংস থেকে ভলিউম এবং ফেড ইন ও ফেড আউট নিয়ন্ত্রণ করুন।
- আগে সম্পূর্ণ ভিডিও শুনুন, তারপর কাঙ্ক্ষিত রেজল্যুশনে এক্সপোর্ট করুন।
ক্লিপচ্যাম্পের সংগীত সংগ্রহে বিনামূল্যের পাশাপাশি অর্থপ্রদত্ত সুবিধার আওতায় থাকা গানও রয়েছে। গান নির্বাচনের সময় সেটি ব্যবহারের শর্ত দেখে নিন। ক্লিপচ্যাম্পের সংগীত সংগ্রহ থেকে নেওয়া অনুমোদিত অডিও সম্পাদিত ভিডিওতে ব্যবহার করা গেলেও মূল অডিও ফাইল আলাদাভাবে বিতরণ বা বিক্রি করার অনুমতি নেই।
গানের শব্দ কতটা রাখবেন এবং কথার সঙ্গে কীভাবে মেলাবেন
একটি কার্যকর নিয়ম হলো আগে মানুষের কণ্ঠস্বর ঠিক করা, পরে পেছনের সংগীত বসানো। বক্তব্য চলাকালে গান এত নিচু রাখুন যেন প্রতিটি শব্দ সহজে বোঝা যায়। প্রথমে সংগীত নিচু রাখুন; সব ভিডিওতে একই শতাংশ কার্যকর হয় না।
যেখানে কেউ কথা বলছেন না, সেখানে অল্প সময়ের জন্য সংগীত কিছুটা জোরে রাখা যায়। বক্তব্য শুরু হলে কমান; একে অডিও ডাকিং বলে। গানের শুরুতে ফেড ইন এবং শেষে ফেড আউট ব্যবহার করলে হঠাৎ শব্দ ওঠানামার অস্বস্তি কমে। যেমন, কোনো রান্নার ভিডিওতে উপকরণ বোঝানোর সময় সংগীত হালকা রাখুন, কিন্তু রান্না শেষের দৃশ্য দেখানোর সময় কিছুটা বাড়াতে পারেন। শেষমেশ ফোনের ছোট স্পিকারে আবার শুনুন; সম্পাদনার সময় হেডফোনে ভালো লাগা মিশ্রণ সাধারণ স্পিকারে ভিন্ন শোনাতে পারে।
দৃশ্য অনুযায়ী সঠিক সংগীত নির্বাচন করার কৌশল
সংগীত নির্বাচনের সময় শুধু পছন্দের গান নয়, দর্শকের মনোযোগের কথাও ভাবুন। শিক্ষামূলক ভিডিওতে কথাবিহীন শান্ত সুর প্রায়ই সুবিধাজনক, যাতে বক্তার কথা স্পষ্ট থাকে। দ্রুত দৃশ্য বদলানো ভ্রমণ ভিডিওতে তুলনামূলক প্রাণবন্ত সুর মানাতে পারে। স্মৃতিচারণে ধীর সুর মানাতে পারে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নীরবতার ব্যবহার। সব সময় গান লাগবে না। গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য বা পরিবেশের শব্দ শোনাতে কিছুক্ষণ নীরবতা রাখুন।
কপিরাইট সমস্যা এড়িয়ে গান ব্যবহার করার উপায়
ইন্টারনেটে বিনামূল্যে শোনা যায় এমন গান সব ক্ষেত্রে বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায় না। ভিডিওতে গান যুক্ত করার আগে তার লাইসেন্সে কোথায়, কীভাবে এবং কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে তা পড়ুন। শিল্পীর নাম দিলেই অনুমতি মেলে না। লাইসেন্সের কপি সংরক্ষণ করুন।
ইউটিউবের ভিডিওতে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ব্যবহারের জন্য ইউটিউব অডিও লাইব্রেরি একটি ব্যবহারযোগ্য উৎস। এখানে বিভিন্ন ধরনের সংগীত ও শব্দপ্রভাব পাওয়া যায়। গান ডাউনলোড করার আগে সেটির লাইসেন্স এবং শিল্পীর স্বীকৃতি দেওয়ার শর্ত যাচাই করুন। কোনো গানের জন্য স্বীকৃতি দেওয়া বাধ্যতামূলক হলে লাইব্রেরি থেকে নির্ধারিত তথ্য অনুলিপি করে ভিডিওর বিবরণে যুক্ত করুন। ইউটিউবের বাইরে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অনুমতির শর্তও যাচাই করুন।
অন্যদিকে ইনস্টাগ্রামের সাধারণ সংগীত সংগ্রহ মূলত ব্যক্তিগত, অ-বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত। বাণিজ্যিক কাজে উপযুক্ত অনুমতিসম্পন্ন সংগীত বেছে নেওয়া জরুরি। এক প্ল্যাটফর্মের অনুমতি অন্যটিতে কার্যকর নাও হতে পারে।
ভিডিও সংরক্ষণের আগে পাঁচটি বিষয় পরীক্ষা করুন
সম্পাদনা শেষ করে সরাসরি প্রকাশ না করে একবার পুরো ভিডিও দেখুন। হেডফোন ও ফোনের স্পিকারে শুনে নিচের বিষয়গুলো মিলিয়ে নিন।
- গানের কারণে কোনো কথা অস্পষ্ট হচ্ছে কি না।
- ভিডিওর শেষ হওয়ার আগেই সংগীত অস্বাভাবিকভাবে থেমে যাচ্ছে কি না।
- দৃশ্য বদলের সঙ্গে সংগীতের আবহ মানাচ্ছে কি না।
- ব্যবহৃত গানের অনুমতি এবং প্রয়োজনীয় স্বীকৃতি ঠিক আছে কি না।
- সংরক্ষিত ফাইলে ছবি ও শব্দ একসঙ্গে ঠিকভাবে চলছে কি না।
সাধারণ অনলাইন ভিডিওর জন্য ১০৮০পি রেজল্যুশন অনেক ক্ষেত্রে উপযোগী। তবে মূল ভিডিওর মান কম হলে শুধু বেশি রেজল্যুশনে সংরক্ষণ করলেই ছবির বিস্তারিত অংশ উন্নত হবে না। ভিডিওর মূল অনুপাত বজায় রাখুন এবং যে মাধ্যমে প্রকাশ করবেন, সেই মাধ্যমের উপযোগী রেজল্যুশন নির্বাচন করুন। সংরক্ষণের পর ভিডিওটি চালিয়ে ছবি ও শব্দ ঠিকভাবে চলছে কি না নিশ্চিত করুন।
ভিডিওতে গান যোগ করা নিয়ে ১০টি সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
১. কোনো টাকা খরচ না করে ভিডিওতে গান যোগ করা যায় কি?
হ্যাঁ, অনেক সম্পাদনা সরঞ্জামের বিনামূল্যের সুবিধা দিয়ে নিজের ভিডিওতে উপযুক্ত গান যুক্ত করা যায়। তবে সব গান বিনামূল্যে নাও থাকতে পারে। গান বাছাইয়ের সময় মূল্য এবং ব্যবহারের অনুমতি আলাদাভাবে যাচাই করা উচিত।
২. ফোনের গ্যালারিতে থাকা গান সরাসরি ভিডিওতে বসানো যাবে?
হ্যাঁ, অনেক ভিডিও সম্পাদনা অ্যাপে ফোনে সংরক্ষিত অডিও ফাইল যোগ করা যায়। তবে ফাইলটি অ্যাপের সমর্থিত ধরনের হতে হবে এবং ব্যবহারের অনুমতি থাকতে হবে। কিছু কপিরাইট সুরক্ষিত গান সরাসরি আমদানি করা যায় না। এমন ক্ষেত্রে নিজের তৈরি বা বৈধ অনুমতিপ্রাপ্ত অন্য অডিও ফাইল ব্যবহার করুন।
৩. ভিডিওতে কথা থাকলে গানের শব্দ কতটা কম রাখব?
একটি নির্দিষ্ট মাত্রা সবার জন্য ঠিক নয়। প্রথমে বক্তার কণ্ঠ পরিষ্কার করে শুনুন, তারপর সংগীত নিচু মাত্রায় যোগ করুন। ফোনের স্পিকারে কথা স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে কি না দেখুন। প্রয়োজন হলে বক্তব্যের অংশে সংগীত আরও কমান।
৪. ছোট ভিডিওর জন্য পুরো গান ব্যবহার করা জরুরি কি?
না, সাধারণত প্রয়োজনীয় অংশটুকুই যথেষ্ট। দৃশ্যের উপযোগী অংশ বেছে গান ছাঁটুন। হঠাৎ বন্ধ হওয়ার বদলে শেষের দিকে ধীরে শব্দ কমালে সম্পাদনাটি আরও স্বাভাবিক শোনায়।
৫. ইউটিউব অডিও লাইব্রেরির গান ব্যবহার করলে শিল্পীর নাম দিতে হবে?
সব গানের ক্ষেত্রে নয়। কিছু গানের লাইসেন্সে স্বীকৃতি দেওয়া বাধ্যতামূলক, আবার কিছুতে তা লাগে না। যে গান ব্যবহার করবেন, সেটির শর্ত দেখে প্রয়োজনীয় তথ্য ভিডিওর বিবরণে যুক্ত করুন। লাইব্রেরির নাম বলাই যথেষ্ট নয়।
৬. ভিডিও সম্পাদনার অ্যাপে থাকা যেকোনো গান সবখানে প্রকাশ করা যাবে?
না। কোনো অ্যাপের সংগ্রহে গান থাকা মানেই সব সামাজিক মাধ্যম, বিজ্ঞাপন বা বাণিজ্যিক প্রকল্পে সেটি ব্যবহারের অনুমতি পাওয়া নয়। লাইসেন্সে অনুমোদিত মাধ্যম ও কাজের ধরন পড়তে হবে। সন্দেহ হলে অনুমতিপ্রাপ্ত সংগীত নিন।
৭. ভিডিওতে গান যোগ করার পর মূল শব্দ হারিয়ে গেলে কী করব?
প্রথমে মূল ভিডিওর অডিও নিঃশব্দ করা হয়েছে কি না দেখুন। এরপর গান ও মূল শব্দের পৃথক ভলিউম পরীক্ষা করুন। কোনো কোনো অ্যাপে নতুন সংগীত বসানোর সময় পুরোনো শব্দ কমানোর ব্যবস্থা থাকে। সংশোধন করে আবার শুনুন।
৮. গান ও ভিডিওর তাল ঠিকমতো না মিললে সমাধান কী?
টাইমলাইনে গান সামান্য সামনে বা পেছনে সরিয়ে দেখুন। গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যের শুরু, হাততালি বা চলনের পরিবর্তনের সঙ্গে সংগীতের জোরালো অংশ মেলানো যেতে পারে। তবে বক্তব্যের ধারাবাহিকতা বেশি জরুরি।
৯. গান যোগ করার পর ভিডিওর মান কমে যেতে পারে কি?
শুধু অডিও যোগ করলেই দৃশ্যের মান কমার কথা নয়, তবে সংরক্ষণের সময় কম রেজল্যুশন বা বেশি সংকোচন বেছে নিলে পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। তাই মূল ফুটেজের উপযোগী সেটিংস নির্বাচন করুন। প্রকাশের আগে ভিডিও যাচাই করুন।
১০. কপিরাইটের আপত্তি এলে প্রথমে কী করা উচিত?
প্রথমে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মের নোটিশ পড়ে কোন সংগীত নিয়ে আপত্তি এসেছে তা শনাক্ত করুন। বৈধ অনুমতি থাকলে তার প্রমাণ যাচাই করে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করুন। অনুমতি না থাকলে গান বদলান বা সরিয়ে দিন।
উপসংহার
ভিডিওতে গান বা ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক যোগ করা কঠিন নয়; ভালো ফল পেতে সঠিক নির্বাচন ও যত্নসহকারে সম্পাদনাই মূল বিষয়। মোবাইল বা কম্পিউটারে গান বসানোর পর বক্তব্যের স্পষ্টতা, সংগীতের শুরু-শেষ, সংরক্ষিত ভিডিওর মান এবং ব্যবহারের অনুমতি পরীক্ষা করুন। ভালো সংগীত মূল বার্তাকে চাপা দেয় না।




